ওয়েব ডিজাইন (পর্ব ০৫)স্টাইল টেকনিক, ফরম্যাটিং টেকনিক,কমেন্টিং, কালার এপ্লাই

ওয়েব ডিজাইন (পর্ব ০৫)স্টাইল টেকনিক, ফরম্যাটিং টেকনিক,কমেন্টিং, কালার এপ্লাই
শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০
আস্‌সালামু আলাইকুম! আশা করি আল্লাহ এর অশেষ রহমতে আপনারা সবাই ভালো আছেন।আমিও আপনাদের দোয়াই ভালো আছি। আজকের নতুন টপিকে আপনাকে স্বাগতম! আজকে আপনাদের দেখাবো কিভাবে স্টাইল টেকনিক, ফরম্যাটিং টেকনিক, কোটেশন ট্যাকনিক, কমেন্টিং, কালার এপ্লাই 
করা যায়।

স্টাইল টেকনিকঃ

HTML স্টাইল ট্যাকনিক বলতে এইচটিএমএল ইউজ করে আপনার কন্টেন্ট কে স্টাইল করাকে বুঝায়।কালার নির্ধারণ বা ফন্ট সাইজ নির্ধারণ সহ আরো অনেক কিছু হতে পারে এই স্টাইল টেকনিক এ।
যেমন,
<p>I am normal</p>
<p style="color:red;">I am red</p>
<p style="color:blue;">I am blue</p>
<p style="font-size:50px;">I am big</p>

স্টাইল এট্রিবিউটঃ

আমরা কোনো ট্যাগের মধ্যে যখন CSS ইউজ করবো তখন আমাদের এই কোড ইউজ করতে পারবো।এই কোড এর আসল কাজ হলো Inline CSS এর ব্যবহার করা।
যেমন,
<tagname style="property:value;">
Property =  CSS Property 
Value = CSS Value

স্টাইল টেকনিক এ যে এট্রিবিউট গুলো বেশি ব্যবহৃত হয় তা নিচে দেওয়া হলো।

ব্যাকগ্রাউন্ড কালারঃ

আমরা যখন কোনো কন্টেন্ট অথবা লেখার ব্যাকগ্রাউন্‌ড এ কালার দিতে চায় অথবা আমাদের সাইটের পুরো বডি যদি কালার করতে চায় তবে এই কোড ইউজ করতে পারি।
<h1 style="background-color:powderblue;">Background Color</h1>

টেক্সট কালারঃ

আমরা যখন আমাদের যেকোনো লেখা কে কালার করতে চায় তখন আমাদের এই কালার কোডটা প্রয়োজন হয়।
<p style="color:red;">Color Code</p>

টেক্সট ফন্টঃ

আমাদের লেখা আরো সুন্দর ও স্টাইলিস করার জন্য আমরা বিভিন্ন ধরণের ফন্ট ব্যবহার করে থাকি।
<h1 style="font-family:verdana;">Verdana Font</h1>

টেক্সট সাইজঃ

আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের কন্টেন্ট লেখাকে ছোট বড় করতে হয়।
<h1 style="font-size:300%;">Font Size</h1>

টেক্সট এ্যালাইনমেন্টঃ

আমাদের কন্টেন্ট অথবা লেখাকে অনেক সময় ডানে বামে ও মাঝে নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তখন আমরা এই টেকস্ট এ্যালাইনমেন্ট কোড ইউজ করতে পারি।
<h1 style="text-align:center;">Alignment Centered</h1>

টেক্সট ফরম্যাটিংঃ

আমরা যখন কোনো কন্টেন্ট লিখি তখন আমাদের ওই লেখার ফরম্যাট ঠিক রাখতে হবে যদি আমরা ফরম্যাট ঠিক না রাখি তবে আমাদের কন্টেন্ট এলোমেলো দেখাবে তাই টেক্সট ফরম্যাটিং টা গুরুত্বপূর্ণ।

টেক্সট ফরম্যাটিং করার জন্য আমাদের নিচের এই কোড গুলো বেশি প্রয়োজন হবে।
  • <b> -লেখা মোটা করতে প্রয়োজন হয়।
  • <strong> - লেখার মাঝের গুরুত্বপূর্ণ লেখা গুলোতে এই টা ব্যবহার করা হয়। 
  • <i> - বাঁকানো লেখা বানানো জন্য এইটা ব্যবহার করা হয়।
  • <em> - কোনো লেখাকে জোড়ালো ভাবে জোড় দেওয়ার জন্য এইটা ব্যবহার করা হয়।
  • <mark> - কোনো নির্দিষ্ট লেখাকে যদি মার্ক করা প্রয়োজন হয় তখন এইটা ইউজ করলে হলুদ ব্যকগ্রাউন্ড হয়ে যায়।
  • <small> - ছোট লেখা বুঝাতে ব্যবহার করা হয়।
  • <del> - কোনো লেখা ডিলিট করা হয়েছে এমন বুঝাতে এইটা ব্যবহার করা হয়।
  • <ins> - কোনো কন্টেন্ট কে সন্নিবেশিত আকারে বুঝাতে এইটা ব্যবহার করা হয় এইটা আনডার লাইন হিসেবে কাজ করে।
  • <sub> - কোনো নির্দিষ্ট অক্ষর বা শব্দকে নিচের দিকে নেওয়ার জন্য এইটা ইউজ করা হয়।
  • <sup> - কোনো নির্দিষ্ট অক্ষর বা শব্দকে উপরের দিকে নেওয়ার জন্য এইটা ইউজ করা হয়।

HTML কমেন্টঃ

আমরা যখন কোডিং করি অনেক সময় কোনো একটা কোডের সাথে অন্য একটা কোড মিশে যাওয়ার কারণে আমরা যখন কোড এডিট করতে যায় তখন আমরা সহজে খুজে বের করতে পারিনা যে কোন কোডটা কোথায় আর এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা এইচটিএমএল কমেন্ট ট্যাগ ইউজ করে থাকি। ইউজ করা ভালো তবে ইউজ না করলেও সমস্যা নাই।কমেন্ট করার প্রধান উদ্দেশ্য কোডের জন্য একটা ডকুমেন্টেশন বানানো যাতে পরে কোড দেখে বোঝা যায় কোন অংশ কিসের জন্য লেখা হয়েছে।

<!--আপনার কমেন্ট-->
Start Tag = <!--
End Tag = -->

কালার এপ্লাই এর ধরণঃ

এইচটিএমএল এ কালার ব্যবহার করতে তিন ধরণের পদ্ধতিতে ব্যবহার করা যায়।
  1. কালার এর নাম দিয়ে
  2. RGB (Red Green Blur) কালার এর মান দিয়ে
  3. কালারের হেক্সাডেসিমাল এর মান দিয়ে।

1. কালার এর নাম দিয়েঃ

আপনি সরাসরি কোডিং এর মাঝে কালারের নাম ব্যবহার করেই রং করতে পারবেন।নিচেই ১৬টি মৌলিক কালারের নাম দেওয়া হলো।
HTML Color Code Name

2. RGB এর মান দিয়েঃ

Red Green Blue এর নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা মিক্স করে এই কালার তৈরি করা হয়।প্রত্যেকের মান ০(যখন কোন কালার থাকে না) হতে ২৫৫(যখন ঐ কালারটি সম্পুর্ন থাকে)। rgb ফরমেটটি হল rgb(RED,GREEN,BLUE)।
আমার সাজেস্ট থাকবে এইটা ব্যবহার না করার কারন অনেক ব্রাউজার এই কালার ঠিক মতো কাজ করে না। 
rgb color code

3. হেক্সাডেসিমাল কালার কোডঃ

আমরা কোডিং করতে বেশির ভাগ কালার কোড ইউজ করি হেক্সাডেসিমাল কোড দিয়ে।এই কালার কোড ইউজ করা সহজ ও নিরাপদ।

কিভাবে নির্দিষ্ট কালার সিলেক্ট করবেনঃ

আমরা কোডিং করতে গিয়ে অনেক সময় আমরা কালার মিক্সিং করে আমাদের মন মতো কালার পাই না। অথবা আমাদের ডিজাইন মন মতো হয়না।আবার অনেক সময় প্রয়োজন হয় যেকোনো জায়গা থেকে কালার নিয়ে সেই কালার ইউজ করা। এই সকল সমস্যার জন্য আপনাদের প্রয়োজন হবে খুব ছোট একটা সফটওয়্য়ার যার নাম পিক্সি নিচে ডাউনলোড লিংক আছে ডাউনলোড করে নিন।

➡️Pixi Download Link (One Click)


এই আর্টিকেল টি পুরোটা পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, এই আর্টিকেল যদি বুঝতে অসুবিধা হয় অথবা কোনো প্রশ্ন থাকে তবে কমেন্ট করুন, আশা করি আপনি উত্তর পাবেন।আর নতুুন কিছু জানার থাকলে আমাদের জানান আমরা জানানোর চেস্টা করবো। এই আর্টিকেলটি WikiJana.Com সাইটের সম্পদ তাই যদি কেউ কপি করেন তবে আপনারা অবশ্যই ক্রেডিট দিবেন নয়ত আপনার সাইট কপিরাইটের অধিনে চলে যেতে পারে।





Samrat Raihan

I am a web designer and developer. I regularly work for different companies. I try to write a little on this blog when I have time.If you can learn something from this blog, then I will be successful.