ওয়েব ডিজাইন (পর্ব ০১) বেসিক ওয়েব কনসেপ্ট, ওয়েব সাইট, ওয়েব পেজ, ডোমেইন, হোস্টিং, ওয়েব এপ্লিকেশন, ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগস্পট

ওয়েব ডিজাইন (পর্ব ০১) বেসিক ওয়েব কনসেপ্ট, ওয়েব সাইট, ওয়েব পেজ, ডোমেইন, হোস্টিং, ওয়েব এপ্লিকেশন, ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগস্পট
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২০
আস্‌সালামু আলাইকুম! আশা করি আল্লাহ এর অশেষ রহমতে আপনারা সবাই ভালো আছেন।আমিও আপনাদের দোয়াই ভালো আছি। আজকের নতুন টপিকে আপনাকে স্বাগতম! আজকে আপনাদের মাঝ আলোচনা করবো বেসিক ওয়েব কনসেপ্ট নিয়ে।

বেসিক ওয়েব কনসেপ্টঃ

ইন্টারনেট কিঃ

 কিছু কম্পিউটার একে অপরের সাথে সংযুক্ত থেকে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরী করে। এভাবে পৃথিবীর অধিকাংশ কম্পিউটার একে অপরের সাথে সংযুক্ত থেকে যে কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলো তৈরি করেছে, সেগুলোর সমষ্টিকেই আমরা ইন্টারনেট বলি। 
  • একটি নেটওয়ার্ক অন্য একটি নেটওয়ার্ক এর সাথে যুক্ত হয়ে TCP/IP কানেক্টেড হয়।
  • এই নেটওয়ার্ক গুলো কিছু কম্পানি পরিচালনা করে থাকে।

WWW পরিসেবা কিঃ

WWW এর পূর্নরূপ World Wide Web এর সাথে আরো একটি প্রোটোকল থাকে তা হলো, HTTP এর পূর্ণরুপ হলো Hypertext Transfar Protocol

ইন্টারনেটের জন্য কেমন খরচ হয়ঃ 

মনে করুন আপনার অফিসে একটি কম্পিউটার আছে। আপনার বাড়িতেও একটি কম্পিউটার আছে। আপনি এখন এই ২ কম্পিউটারের সাথে একটি ক্যাবল লাগিয়ে দিলেন। তাহলে আপনি আপনার ২ কম্পিউটারেই ইন্টারনেট সংযোগ করলেন। হ্যাঁ, এটাই ইন্টারনেট। আসলে ইন্টারনেট ফ্রি। তাহলে ইন্টারনেটের জন্য আমরা টাকা দেই কেন? ইন্টারনেট সংযোগ দেবার জন্য যে ক্যাবল রয়েছে আর সেটা পরিচালনা করার জন্য যারা রয়েছে, টাকাটা মূলত আমরা তাদের দেই।

ওয়েব সাইট কিঃ

ওয়েব সাইট হলো কোনো এক বা একাধিক পেজের সমন্বয়ে তৈরি যা ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হয়ে কোনো কম্পিউটারের বরাদ্দকৃত স্পেস অথবা লোকেশনে সংরক্ষণ করা হয়।

ইন্টারনেটে সার্বক্ষনিক চালু রাখার জন্য কোনো উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় যাকে সার্ভার বলা হয়। এই সার্ভার গুলোতে অর্থের বিনিময়ে ওয়েব সাইট হোস্ট করা হয়।

ওয়েব পেজ কিঃ

ওয়েব পেজ হচ্ছে এক ধরণের ওয়েব ডকুমেন্ট যা বিশ্বব্যাপি ইন্টারনেট ব্রাউজারে ব্যবহার জন্য উপযুক্ত।অর্থাৎ ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত বিভিন্ন দেশের সার্ভারে সংরক্ষিত ফাইলকে ওয়েব পেজ বলে।ওয়েব পেজে বেশি ব্যবহৃত হয় HTML ( Hyper Text Markup Language) ল্যাঙ্গুয়েজে।বর্তমান সময়ে XML, DHTML, STML ইত্যাদিতে ব্যবহার হচ্ছে।

ওযেব পেজে বিভিন্ন টেক্সট ,অডিও , ভিডিও, স্থির চিত্র, এ্যনিমেশন ইত্যাদি ওয়েব পেজ আকারে সংরক্ষন করা হয়।

ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইট এর প্রকারভেদঃ

গঠন এর ভিত্তিতে ওয়েব পেজ কে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
  1. স্ট্যাটিক ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইট। (Static Webpage or Website)
  2. ডাইনামিক ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইট।( Dynamic Webpage or Website)
স্ট্যাটিক ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইটঃ যে সকল ওয়েব সাইট এর তথ্য গুলো ওয়েব ব্রাউজারে চালু হওয়ার পর কম পরিবর্তন হয় অর্থাৎ পূর্বে তৈরিকৃত তথ্যই প্রদর্শন করে তাকে স্ট্যাটিক ওয়েব পেজ বলে । সাধারনত HTML ভাষা ব্যবহার করেই স্ট্যাটিক পেজ তৈরি করা হয়।

ডাইনামিক ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইটঃ যে সকল ওয়েব সাইটের এর তথ্য গুলো ওয়েব ব্রাউজারে চালু হওয়ার পর বেশি পরিবর্তণ হয় সেই সকল পেজকে ডাইনামিক ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইট বলে।এই ডায়ানামিক ওয়েব পেজ গুলো PHP, ASP, JSP ভাষা দ্বারা তৈরি করা হয়।

ডোমেইন কি ও বিস্তারিতঃ

Domain ইংরেজি শব্দ যার অর্থ স্থান। আমাদের কোনো স্থানে যাওয়ার জন্য একটি এড্রেস প্রয়োজন আর ইন্টারনেটে কোনো নির্দিষ্ট জায়গা যাওয়ার জন্য ডোমেইন নেম প্রয়োজন।ডোমেইন নেম সম্পুর্ণ ইউনিক হয়।একটি ডোমেইন নেম এর সাথে পৃথিবীর কোনো ডোমেইন এর মিল পাওয়া যাবেনা, আপনার ফোন নম্বরের সাথে যেমন অন্য কারোর নম্বর মেলে সেই রকমই একটি ডোমেইন নেম এর সাথে আর কোনো ডোমেইন এর মিল থাকবে না। 

একটি ওয়েব সাইটের সকল ফাইল একটা সার্ভার কম্পিউটারে হোস্ট করা থাকে।প্রতিটি সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট IP Address (Internet Protocol Address)  থাকে, যার মাধ্যমে ওই সার্ভারকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুজে পাওয়া যায়।এখন কখা হলো আমাদের তো আইডি এড্রেস মনে রাখা সম্ভব না।আর এই মনে রাখার ব্যবস্থা করতেই ডোমেইন এর দরকার হয়।

Domain Name সর্বনিম্ন ৩ অক্ষর থেকে শুরু করে সর্বউচ্চ ৬৩ অক্ষর হতে পারে। ডোমেইন এ শুধু ইন্টারনেশনাল ডোমেইন এর জন্য ইংরেজি ভাষা , ০-৯ পর্যন্ত এবং (-) হাইফেন ব্যবহার করা যাবে।
ডোমেইন নেম কিভাবে কাজ করে

ডোমেইন এর প্রকারভেদঃ

ডোমেইন ৪ ধরণের হয়ে থাকে।সেগুলো হলোঃ
  1. TLD Domain অর্থাৎ TOP LEVEL DOMAIN যেমন, .com .org .net .info .pw .me ইত্যাদি এই গুলো সর্বোচ্চ লেভেলের ডোমেইন।
  2. gTLD Domain অর্থাৎ GENERIC TOP LEVEL DOMAIN এই ডোমেইন গুলো কোনো দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট না। যেমন, .Com .Org .Net .Info  এগুলো gTLD ডোমেইন।
  3. SLD Domain অর্থাৎ SUB LEVEL DOMAIN এই ডোমেইন এ নির্দিষ্ট ডোমেইন এর আগে কিছু একটা নাম থাকে।যেমন, safe.wikijana.com , wikijana.blogspot.com , corona.wikijana.com
  4. ccTLD Domain অর্থাৎ COUNTRY CODE TOP LEVEL DOMAIN এই ডোমেইন গুলো নির্দিষ্ট দেশের সরকারের অধিনে থাকে। যেমন .BD (BANGLADESH) .IN (INDIA) .PK (PAKISTAN), UK(UNITED KINGDOM)
বিশ্বের প্রথম Domain হচ্ছে symbolics.com । এটা Massachusetts computer company রেজিস্টার করেছিল Symbolics দ্বারা মার্চ ১৫, ১৯৮৫ সালে।

TOP LEVEL DOMAIN গুলো কিনতে হয় আর কিছু ডোমেইন আছে ফ্রিতে পাওয়া যায়, ফ্রি ডোমেইন গুলো হলো, .TK .ML .GA .GQ .CF .XTGEM.COM .WAPKIZ.COM .WORDPRESS.COM .BLOGSPOT.COM .WEEBLY.COM

হোস্টিং কি ও বিস্তারিতঃ

কোনো একটি কম্পিউটার আপনার ওয়েব সাইট চালু রাখার জন্য দিন রাত ২৪ ঘন্টা বছরের ৩৬৫ দিন চালু থাকবে, আর এই কম্পিউটার এর কিছু স্পেস কিনে সেখানে আমরা আমাদের ওয়েব সাইট হোস্ট করি।অন্য একটা কম্পিউটারের এই হোস্ট করা প্রক্রিয়াকে হোস্টিং বলা হয়ে থাকে।এই হোস্টিং প্রোভাইডারেরা মাসিক অথবা বাৎসরিক ভিত্তিতে টাকা নিয়ে থাকে।

ওয়েব হোস্টিং কত প্রকারের এবং কি কি ?

ওয়েব হোস্টিং সাধারণত ৪ ধরণের কারন আমাদের সাইটের প্রয়োজন ও ধরণ অনুযায়ী আমাদের হোস্টিং নির্ধারণ করতে হয়।
  1. শেয়ার্ড হোস্টিং (shared hosting)
  2. V P S (Virtual private server)
  3. ডেডিকেটেড হোস্টিং (dedicated server)
  4. ক্লাউড হোস্টিং (cloud hosting)
চলুন এই ৪ ধরণের হোস্টিং এর ব্যপারে জেনে নিই।

শেয়ার্ড হোস্টিং কিঃ

Shared Hosting হলো একই হোস্টকে আলাদা আলাদা করে ভাব করে ইউজ করা। আরো সহজ করে বলতে হলে , কোনো একটি স্পেসকে একজন ব্যবহার না করে আলাদা আলাদা লোকে প্রয়োজন মতো স্পেস নিয়ে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা হোস্টিং ই হলো শেয়ার্ড হোস্টিং।এই হোস্টিং সবাই মিলে ভাড়া দেওয়ার কারনে খরচ কম হয়ে থাকে।

VPS Hosting (ভিপিএস হোস্টিং) কিঃ

Virtual privet server (VPS) হোস্টিং শেয়ার্ড হোস্টিং এর থেকে অনেক গুন ভালো। এটার প্রয়োজন তখনই হয় যখন আপনার ওয়েব সাইটে আগের তুলনায় বেশি ট্রাফিক আসে, আপনার সাইট আগের ‍তুলনায় অনেক পপুলার হয়ে গেছে। এই অবস্থায় আপনার এই ভিপিএস হোস্টিং নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
কোনো নির্দিষ্ট স্পেস কে একজনে কিনে নেওয়ার সিস্টেম কে ভিপিএস হোস্ট বলা যেতে পারে।
স্পেস আলাদা হওয়ার কারনে আপনার সাইটে আগের থেকে আরো বেটার সার্ভিস পাবেন।

ডেডিকেটেড হোস্টিং কি ?

Dedicated হোস্টিং অন্য হোস্টিং থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারন শেয়ার্ড হোস্টিং এ আপনি আপনাকে একটি ওয়েব সার্ভারে অসংখ্য ওয়েব সাইট এর সাথে শেয়ার করতে হয় এবং ভিপিএস হোস্টিং এ আপনাকে ওয়েব সার্ভার এর একটি ভাগ দিয়ে দেওয়া হয় যেটা কেবল আপনার।কিন্তু, ডেডিকেটেড হোস্টিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে একটি পুরো ওয়েব সার্ভার দিয়ে দেয়া হয় যেটা কেবল আপনার। এবং, সেই ওয়েব সার্ভারে কেবল আপনার ওয়েবসাইট এবং তার ফাইল হোস্ট করা থাকবে।

ক্লাউড হোস্টিং কি ?

ক্লাউড হোস্টিং আজ ব্লগার এবং ওয়েবসাইট মালিকদের মধ্যে সবথেকে বেশি প্রচলিত এর কর্মক্ষমতা এবং স্পিড অনেক উন্নত মানের এবং এই হোস্টিং অনেক নিরাপদ। কিছু বছরে, cloud hosting অনেক জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবং, অধিকাংশ ব্লগের জন্য ক্লাউড হোস্টিং ব্যবহার করা হয়।

আসলে ক্লাউড হোস্টিং এ অনেক গুলি ওয়েব সার্ভার একসাথেই রাখা হয় এবং তাই আপনি আপনার প্রয়োজন হিসেবে সার্ভারের কিছু প্রয়োজনীয়তা যেমন cpu, RAM বা storage বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিতে পারবেন। এতে, যখনি আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা ভিসিটর বাড়বে আপনি অনেক সহজে সেই হিসেবে নিজের ওয়েব সার্ভারের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

ওয়েব এ্যাপ অথবা ওয়েব এপ্লিকেশন কিঃ

আমরা সাধারণত এন্ড্রোয়েড এপস অথবা উইন্ডোজ এপ্লিকেশন চিনি এবং ব্যবহার করেও থাকি।
এটি হচ্ছে সেই ধরণের অ্যাপ যেগুলো ওয়েবে রান করে। এই ধরণের এপ্লিকেশনগুলো ব্যবহার করতে হলে আপনাকে আপনাকে আপনার পিসিতে বা স্মার্টফোনে ইনস্টল করার দরকার পড়বে না। এই এপ্লিকেশনগুলো আপনার ওয়েব ব্রাউজারের ভেতরেই রান করবে। এসব ওয়েব অ্যাপ আপনার সাধারণ ফোনে ইনস্টল করা এপ্লিকেশনগুলোর মতোই কাজ করবে তবে আপনাকে এগুলো ইনস্টল করার দরকার পড়বে না। আপনার একটি একটিভ ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই আপনি এসব ওয়েব অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন। 

ওয়ার্ডপ্রেস (WORDPRESS) কিঃ

Wordpress

ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় ব্লগ পাবলিশিং অ্যাপ্লিকেশন এবং শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS) যা পিএইচপি এবং মাইএসকিউএল দ্বারা তৈরিকৃত ওপেন সোর্স ব্লগিং সফটওয়্যার। ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা কোনো প্রকার পিএইচপি, মাইএসকিউএল জ্ঞান ছাড়াই একটি প্রোফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। তাই দিন দিন ওয়ার্ডপ্রেস চাহিদা এবং কাজের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। 

যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট বানানোর জন্য বর্তমানে সেরা সিএমএস প্ল্যাটফর্ম এই ওয়ার্ডপ্রেস। এক তথ্য মতে পৃথিবীর কমপক্ষে ১৯ শতাংশ ওয়েব সাইট ওয়াডপ্রেস দ্বারা তৈরি আর ব্লগ সাইট গুলোর মধ্যে ৫০ শতাংশ।বর্তমানে পৃথিবীর ৬০% ওয়েব ডেভেলপার ওয়ার্ডপ্রস ইউজ করে এবং মার্কেটপ্লেস গুলোতেও প্রচুর চাহিদা রয়েছে।
ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজেশন এর জন্য HTML ,CSS  এবং ওয়ার্ডপ্রেস ফ্রেমওয়ার্কের ব্যবহার জানতে হবে।কিছু টিউটরিয়াল পড়ে Wordpress ইনস্টল করা আর কাস্টমাইজেশন করতে পারলেই দক্ষ ডেভেলপার বলা যায় না।দক্ষ হওয়ার জন্য প্রচুর শ্রম ,মেধা এবং সময়ের প্রয়োজন।

ব্লগস্পট বা ব্লগার (BLOGGER) কিঃ

Blogger or Blogspot
ব্লগার বলতে আমরা জানি যে ব্লগ লেখে সে ব্লগার।ব্লগার আসলে ওয়ার্ডপ্রেস এর মতো একটি কন্টেন্ট ম্যানেজম্যন্ট সিস্টেম যা গুগল পরিচালনা করে থাকে। এই ব্লগার বা ব্লগস্পট দিয়ে শুধু মাত্র ব্লগ সাইট বানানো যায়।এই CMS ব্যবহার করতে হোস্টিং কেনার প্রয়োজন হয় না আবার অন্য হোস্টিং এ এটা ইনস্টল ও করা যায় না।এই টা শুধু গুগল এর মাধ্যমেই ব্যবহার করা যায়। আপনি এখানে বিনা খরচে ব্লগ খুলে কাজ ও করতে পারবেন এবং চাইলে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসে চলে যেতে পারবেন।

এই ব্লগার ও খারাপ না তবে ব্লগ ছাড়া অন্য কোনো ওয়েব সাইট বানানো অনেক কস্ট সাধ্য যা ওয়ার্ড প্রেসে এর সিএমএস দিয়ে অনেক সোজা।তাই এইটা যখন ব্লগের জন্য বানানো তাই আমি খারাপ বলবো না। আমাদের এই WIKIJANA.COM সাইট ও ব্লগার দিয়ে বানানো।

 এই আর্টিকেল টি পুরোটা পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, এই আর্টিকেল যদি বুঝতে অসুবিধা হয় অথবা কোনো প্রশ্ন থাকে তবে কমেন্ট করুন, আশা করি আপনি উত্তর পাবেন।আর নতুুন কিছু জানার থাকলে আমাদের জানান আমরা জানানোর চেস্টা করবো। এই আর্টিকেলটি WikiJana.Com সাইটের সম্পদ তাই যদি কেউ কপি করেন তবে আপনারা অবশ্যই ক্রেডিট দিবেন নয়ত আপনার সাইট কপিরাইটের অধিনে চলে যেতে পারে।





Samrat Raihan

I am a web designer and developer. I regularly work for different companies. I try to write a little on this blog when I have time.If you can learn something from this blog, then I will be successful.

avatar

Onnek sundor vabe Kora hoyeche. Thank you sir erokom ekti blog amader deyar jonno.

৯ জুলাই, ২০২০ ১২:৫৫ PM